১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,রাত ৩:২৮

শিরোনাম
কয়রায় মহসিন রেজা, ডুমুরিয়ায় এজাজ ও পাইকগাছায় আনন্দ চেয়ারম্যান নির্বাচিত খুলনায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন ফেরদৌস আহম্মেদ’র প্রধানমন্ত্রী গরিব-দু:খী মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করে চলেছেন-কেসিসি মেয়র খুলনায় তিনদফা দাবিতে ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন দীর্ঘ অপেক্ষার পর রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হলো মোংলা বন্দর সরকার সবসময় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে থাকবে-ভূমিমন্ত্রী খুলনায় নতুন ভবনে নতুন আঙ্গিকে গণহত্যা জাদুঘর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারিরিক সম্পর্ক; মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) ক্লোজড সুন্দরবনে আগুন, কারণ বের করতে আরও ৭ কার্যদিবস সময় নিলো তদন্ত কমিটি

করোনায় রাষ্ট্রপতির ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২০

  • শেয়ার করুন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ছোট ভাই মো. আবদুল হাই।
ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবদুল হাই শুক্রবার প্রথম প্রহরে মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, “ভেন্টিলেশনে থাকা অবস্থায় আবদুল হাইয়ের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল।”

শনিবার মিঠামইনে পারিবারিক কবরস্থানে আবদুল হাইকে দাফন করা হবে।

রাষ্ট্রপতির ভাই মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী প্রয়াতের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

আবদুল হামিদদের নয় ভাই-বোনের মধ্যে আবদুল হাই ছিলেন অষ্টম। তার জন্ম হয়েছিল ১৯৫৩ সালে।

রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের দায়িত্বে ছিলেন আবদুল হাই।

১৯৯৭ সালে তৎকালীন ডেপুটি স্পিকার আবদুল হামিদের এপিএস হিসেবে সংসদে চাকরি শুরু করেন আবদুল হাই।

২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক থাকা অবস্থায় অবসরে যান তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। হাজি তায়েব উদ্দিন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং শিক্ষক ছিলেন তিনি।

মিঠামইন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবদুল হাই মিঠামইন পল্লী উন্নয়ন সমিতির সভাপতি এবং প্রবাহ সাহিত্য সংসদের সভপাতি ছিলেন। তিনি এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আবদুল হাইয়ের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে গত ২ জুলাই নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে তার করোনাভাইরাস পজিটিভ রিপোর্ট আসে।

গত ৫ জুলাই তাকে ঢাকা সিএমএইচের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। গত কয়েকদিন তিনি ভেন্টিলেশনে ছিলেন।

আবদুল হাইয়ের ছেলে সাইফ মো. ফারাবিও কিছু দিন আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন