৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ১০:১৩

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান

খুলনার দুই পাটকল শ্রমিক নেতাকে গ্রেফতার দেখালো পুলিশ

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২০

  • শেয়ার করুন

খুলনায় সদ্য বন্ধকৃত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের দুইজন শ্রমিক নেতাকে ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’র পরিচয়ে ধরে নেওয়ার ২০ ঘণ্টার মাথায় আগের একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ।

সোমবার রাত পৌঁনে ১২ টার দিকে তাদের দৌলতপুর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

এর আগে গত রোববার মধ্যরাতে স্টার জুট মিলের শ্রমিক ও পাটশিল্প রক্ষা যুব জোটের আহ্বায়ক অলিয়ার রহমান এবং প্লাটিনাম জুবিলি জুটমিলের শ্রমিক ও পাটশিল্প রক্ষা যুব জোটের উপদেষ্টা নূর ইসলামকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করে পরিবারের সদস্যরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেওয়া হলেও ঘটনার পর থেকে পুলিশ বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিল।

তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ওসি সৈয়দ মোশাররফ হোসেন জানান, ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল পাটকল শ্রমিকদের বিক্ষোভ থেকে নগরীর নতুন রাস্তা মোড়ের পুলিশ বক্সে হামলা ও ভাংচুর করা হয়। ওই ঘটনায় পুলিশের দায়েরকৃত মামলায় তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা থানার এস আই শাহীনুর রহমান সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে সকাল ১০টায় তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করেছেন। আদালত শুনানি শেষে রিমান্ড না মঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠান।

এ বিষয়ে অলিয়ার রহমানের ছেলে নাইম শেখ বলেন, অবশেষে বাবাকে দেখতে পেলাম। বাবাকে তুলে নেওয়ার পর থেকে পুলিশ অস্বীকার করে যাচ্ছিল, তারা কিছু জানে না। আমরা বুঝতেই পারছিলাম না এটা কি রাজনৈতিক, না প্রশাসনিক কারণে হয়েছে। এখন তারা কিভাবে জানলো। এই দীর্ঘ সময় আমাদের কিভাবে কেটেছে কেউ তা জানে না।

গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা শাখার আহবায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল বলেন, সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দুই শ্রমিক নেতাকে গভীর রাতে তুলে নেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদের মিথ্যা মামলায় আটক ও কালক্ষেপণ করে একটি নাটক মঞ্চায়ন করেছে। সরকার জনরোষের ভয়ে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। এতে শ্রমিকদের পরিবারের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমরা দ্রুত ওই শ্রমিক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাই।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন