আজ মঙ্গলবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শার্শা উপজেলার বাজারগুলোতে লবনের দাম বৃদ্ধির গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।

মিলন হোসেন বেনাপোল ।
শার্শা উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে লবনের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। গুজবে কান না দিতে উপজেলা জুড়ে করা হচ্ছে মাইকিং। বাস্তবে লবণের দাম না বাড়লেও গুজবের কারণে ক্রেতা সমাগম বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়ে গেছে লবণের দাম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকে প্রতি কেজি লবণ ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। হঠাৎ করে দুপুরের পর থেকে  বিভিন্ন বাজারে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু গুজব ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে বিকালেই তা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি ছাড়িয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেট লবণের পাশাপাশি খোলা লবণও ব্যাপক হারে বিক্রি হচ্ছে।

 গুজবের কারণে আজ দুপুর থেকে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী শার্শা উপজেলার বেনাপোল, শার্শা, নাভারণ, উলাশী, বাগআঁচড়া, গোগা, সাতমাইল, জামতলা, পুটখালী, বাহাদুরপুরে, শিকারপুর, লক্ষনপুর, গোড়পাড়া, সাড়াতলা, পাকশিয়া ও নিজামপুরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে লবণ বেশি দামে বিক্রি শুরু হয়। লবণের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন খবরে সাধারণ মানুষ মুদি দোকানগুলোতে লবণ ক্রয়ের জন্য ভিড় জমাচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

লক্ষনপুর বাজারে আব্দুস সামাদ বলেন, ‘লবণের দাম ২০০ টাকা কেজি হবে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে দুপুর থেকে ক্রেতারা দোকানে ভিড় করছে লবণ ক্রয়ের জন্য। আমিও লবণ কিনে রাখছি, যাতে দাম বাড়লেও আর কিনতে না হয়।’

বেনাপোলের লবন ক্রেতা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘ফেসবুকে লবণের দাম বৃদ্ধি হচ্ছে এমন খবর দেখে ৫ কেজি করে লবণ কিনি। তবে শুনলাম এটা গুজব।’

নাভারণ বাজারের মেসার্স হযরত এন্ড সন্স নামে পাইকারী লবণ সরবরাহকারী হযরত আলী বলেন, ‘লবণের দাম বাড়েনি। প্রচুর লবণ মজুদ রয়েছে। সাধারণ জনগণ গুজবে কান দিয়েছে বলেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে বাজারে খোলা লবণ পাইকারী প্রতি বস্তা (৬৫ কেজি) ৭০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তিস্তা লবণের প্রতি আধা কেজি প্যাকেট ১০ টাকা চল্লিশ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও একই দাম ছিল।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল জানান, গুজব রুখতে মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করতে কর্মকর্তাদের নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। কেউ যাতে গুজবকে কাজে লাগিয়ে বেশি দামে লবণ বিক্রি করতে বা মজুদে রাখতে না পারে সেজন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
প্রেরক
মিলন হোসেন বেনাপোল
তারিখ ১৯/১১ /১৯
মোবাইল ০১৭১২২১৭১৪৩

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ