আজ মঙ্গলবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভূস্বর্গে এক নরক যন্ত্রণা: অনাহারে-অর্ধাহারে কাটছে কাশ্মীরিদের জীবন

স্থানীয় গণমাধ্যম বলেছে, ১৪৪ ধারা ভেঙে বিক্ষোভকালে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গেছে অনেকে কাশ্মীরের। আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
এক কাশ্মীরী বলেছেন, ‘৭০ ঘন্টা ধরে একরকম অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছি আমরা। কারও সঙ্গে আমরা যোগাযোগও করতে পারছি না। নির্দোষ হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে মোদি সরকার যে অমানবিক আচরণ করছে; তা কোনো সভ্য সমাজে হতে পারে না।’
আরেকজন বলেছেন, ‘কারফিউ জারি করে আমাদের জীবনযাত্রা অতিষ্ঠ করে তুলেছে বর্তমান মোদি সরকার। রোগীদের হাসপাতালেও নেওয়া যাচ্ছে না।’
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের কাশ্মীর কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ ফখর ইমাম বলেছেন, ‘কাশ্মীরের জনমিতি পরিবর্তনের অপচেষ্টা ঠেকাতে ভারতের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যেনো আহ্বান জানায়, সেই আবেদনই করছি। সেইসঙ্গে জাতিসংঘ রেজুলেশন মেনে পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হোক।’
এদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তান দুপক্ষকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়া। দমন-পীড়নের নিন্দা করেছে তুরস্ক। কাশ্মীরের জনজীবন দ্রুত স্বাভাবিক করার অনুরোধ জানিয়েছেন এক ব্রিটিশ এমপি।
যুক্তরাজ্য লেবার পার্টির এমপি লিয়াম বার্ন বলেছেন, ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের পর কাশ্মীরে এখন যা চলছে, বিশ্ববাসী যাতে তা জানতে না পারে, সেজন্যই কারফিউ দিয়ে টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মোদি সরকারের প্রতি আহবান জানায়, এ সব বন্ধ করুন।
ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ