আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভারতের গণতন্ত্র বাঁচাতে মমতাকে কংগ্রেসের সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব

শুক্রবার টুইটারে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী লেখেন, গোয়া ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি দেখার পর আমার মনে হচ্ছে, দেশে একটাই দল বিজেপি থাকলে বিপন্ন হবে দেশের গণতন্ত্র। তা হলে কী উপায়? স্বামীর বক্তব্য, ইতালিয়ান ও পরিবারের লোকেরা বিদায় নিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সংযুক্ত কংগ্রেসের সভানেত্রী করা হোক। কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাওয়া উচিত এনসিপি’র

সম্প্রতি, গোয়াতে ১০ কংগ্রেস বিধায়ক দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। কর্ণাটকেও টলমল অবস্থায় কংগ্রেস। সেই দিকে তাকিয়েই বিরোধী রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে এমন পরামর্শ দিয়েছেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।

লোকসভা ভোটে হারের দায় স্বীকার করে ইতোমধ্যেই সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন রাহুল গান্ধী।

অন্যদিকে লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে খারাপ ফল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একই অবস্থা এনসিপির। শরদ পাওয়ারের দলেরও ভরাডুবি হয়েছে।

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী যা বলতে চেয়েছেন, তার অর্থ হলো- কংগ্রেসের নেতৃত্বের অভাব প্রকট। আবার কংগ্রেস ভেঙে গঠিত তৃণমূল ও এনসিপিও বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাক এনসিপি ও তৃণমূল। ইউনাইটেড কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দিন মমতা।

লোকসভা ভোটের পর রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন শরদ পাওয়ার। জল্পনা শুরু হয়েছিল, এনসিপিকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে চান শরদ।

এর আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তবে সেসময় অন্য ইস্যুতে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছিল তৃণমূল।

 

 

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ