আজ মঙ্গলবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বড়াইগ্রামে উপজেলা চেয়ারম্যানের ফলকে নাম না থাকায় ফলক ভাংচুর করছে বিক্ষুব্ধ জনতা

আবু মুসা নাটোর থেকেঃ নাটোরের বড়াইগ্রামে উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম না থাকায় উদ্বােধনী অনুষ্ঠানের নাম ফলক ভাংচুর করেছে বিক্ষুব্ধ লােকজন। পরে গণপূর্ত বিভাগের এমন পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণের প্রতিবাদে উপজেলা নাগরিক কমিটির ব্যানারে দুপুরে উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানা যায়, রবিবার গণপূর্ত বিভাগের উদ্যাগে উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষ্যে উদ্বাধনী অনুষ্ঠানের আয়ােজন করা হয়। উদ্বােধনী নামফলক স্থানীয় এমপি অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসের নাম থাকলেও উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারীর নাম দেয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় লােকজন রোববার সকালে নাম ফলকটির মার্বেল পাথরে লেখা অংশটুকু ভেঙ্গে ফেলে। এ সময় তারা উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও উদ্বােধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণ না জানানাের কারণে ক্ষােভ প্রকাশ করেন। পরে ভেঙ্গে ফেলা উদ্বােধনী ফলকের উপর একটি ডিজিটাল ব্যানার লাগিয়ে প্রকল্পোর উদ্বােধন করেন আব্দুল কুদ্দুস এমপি।
এদিকে, প্রকল্পের বিষয় অবহিত না করা ও অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানদের আমন্ত্রণ না জানানাের প্রতিবাদে আয়ােজিত সংবাদ সম্মেলন বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান জেলা আ’লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী। এ সময় জেলা পরিষদ সদস্য আবুল কালাম জোয়াদ্দার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খােকন মােল্লা, বনপাড়া পৌর আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আযাদ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর শরীফুনেসা শিরিন, আ’লীগ নেতা আব্দুস সোবহান প্রামাণিক, জাকির সরকার ও ফেরদৌস উল আলম সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্তিতি ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জেলা গণপূর্ত বিভাগ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা উপজেলা পরিষদকে প্রকল্পের বিষয়ে কােন কিছু অবহিত করেনি, এমনকি উদ্বােধনী অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণও জানায়নি। মূলত এ দুটি প্রতিষ্ঠানে লুকিয়ে থাকা জামায়াত বিএনপি কর্মকর্তারা জনপ্রতিনিধিদের মাঝে বিভেদ রেখে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ লাপাটর জন্যই এ কাজ করছে। তারা অবিলম্বে এসব কর্মকর্তাদের অপসারণসহ উপজেলা পরিষদকে সম্পৃক্ত করে স্বছভাবে প্রকল্পের কাজ করার দাবী জানান ।
এ ব্যাপারে মুঠো ফােনে জানতে চাইলে জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জানান, এটি মূলত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাজ, আমরা বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে কাকে ডাকা হবে বা হবে না সেটা ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ