আজ মঙ্গলবার, ২২শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ৭ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বশেমুরবিপ্রবির সাংবাদিক লাঞ্চনার ঘটনায় ভিসিকে পদত্যাগের দাবি

তারিক সাইমুম, ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীলতায় বিশ্বাসী সাংবাদিক সংগঠন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ফাতেমা-তুজ- জিনিয়া’র সাময়িক বহিষ্কার ও হয়রানির ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিতকরণের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ক্যাম্পাস জার্নালিস্ট’স ফেডারেশন সাথে একাতোতা পেষণ করে বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের “মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব” ম্যুরালের সামনে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।

ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য মোস্তাফিজ রাকিবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এম.এইচ কবির , দপ্তর সম্পাদক মু্রতুজা হাসান, প্রচার সম্পাদক প্রিতম মজুমদার, সদস্য তামজিদুল হক ফাহিম,তারিক সাইমুম,মোয়াজ্জেম হোসেন আদনান, মারিয়া জামান এশা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আজ আমরা সারা বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ একত্রিত হয়েছি স্বৈরাচারী ভিসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যিনি, ফাতেমা-তুজ- জিনিয়াকে একটি মাত্র ফেসবুক স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বহির্ভূত কাজ করে তাকে বহিষ্কর করেছে। তারই প্রতিবাদে আমরা আজ সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছি। বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্যকে এমন আইন বহির্ভূত কাজ গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে আমরা মেনে নিতে পারি না। আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যরা আজ একত্রিত হয়ে সারা বাংলাদেশের ক্যাম্পাস জার্নালিস্ট ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ দূর্গ গড়ে তুলেছি, এরকম প্রতিবাদ দূর্গ গড়ে তুলেছিলেন বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর জীবনে ১৯৪৮,১৯৫২ এবং ১৯৭১,১৯৭৫ পর্যন্ত তিনি ভাষা আন্দোলন, মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে মানুষের বাক স্বাধীনতার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গিয়েছেন। বাক স্বাধীনতার সংগ্রামে আমরা সারা বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে চাই, ভিসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে এ প্রতিবাদ দূ্র্গ গড়ে তুলব। এসময় তারা আরও বলেন, দেশের চতুর্থ স্তম্ভ হচ্ছে সাংবাদিপত্র বা গণমাধ্যম সেই অস্তিত্বের জায়গায় আঘাত আসলে আমরা সাংবাদিক সমাজ বসে থাকবো না। আমার বাংলাদেশের সকল সাংবাদিক সংগঠনের সাথে ছিলাম আছি এবং থাকবো। এ ছাড়াও বক্তারা শামস জেবিনসহ অন্য সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির অতি দ্রুত বিচার
ও সাংবাদিক হয়রানি ঘটনায় জড়িত প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য তাসনিমুল হাসান প্রান্ত,তৌফিক আলম, জয়নাব খানম, শাহীন আলম ও সোহান সিদ্দিকীসহ সকল সদস্যবৃন্দ।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ