আজ মঙ্গলবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পুনঃপরীক্ষায় পাস্তুরিত ও দুধের ১০টি নমুনার ১০টিতেই অ্যান্টিবায়োটিক মিলেছে আগের চেয়েও বেশি

বাজারের প্যাকেটজাত দুধ নিয়ে আরেক দফা গবেষণার ফল প্রকাশ করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। গতকাল শনিবার তিনি ওই ফল প্রকাশ করে জানিয়েছেন, তাঁর পরীক্ষিত ১০টি নমুনার ১০টিতেই (শতভাগ) একাধিক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের অস্তিত্ব মিলেছে।

প্রথম দফার গবেষণা নিয়ে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক অতিরিক্ত সচিবের হুমকি, নিজের কোনো কোনো সহকর্মীর দায় অস্বীকার, দুগ্ধ শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতিবাদসহ তিক্ত পরিস্থিতির মধ্যে নতুন ফল প্রকাশ করলেন তিনি।

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক জানান, এবারের পরীক্ষায় অক্সিটেট্রাসাইক্লিন, এনরোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও লেভোফ্লক্সাসিন নামের চারটি অ্যান্টিবায়োটিক মিলেছে। এর মধ্যে অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ও এনরোফ্লক্সাসিন নতুন পাওয়া গেছে। আগের দফায় এ দুটি অ্যান্টিবায়োটিক ছিল না।

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক গতকাল জানান, মানুষকে সতর্ক ও সচেতন করতেই তিনি এই গবেষণা করছেন এবং তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। দুগ্ধশিল্পকে কোনোভাবেই তিনি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চান না বরং এই শিল্পকে আরো পরিশুদ্ধভাবে সমৃদ্ধিশালী দেখতে চান।

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আগের পরীক্ষাটিই আবার করা হয়েছে। এবারও আগের পাঁচটি কম্পানির সাতটি পাস্তুরিত প্যাকেটজাত দুধের নমুনা একই জায়গা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। সঙ্গে তিনটি খোলা দুধের নমুনাও ছিল।

আ ব ম ফারুক বলেন, ফল আগের মতোই উদ্বেগজনক। ১০টি নমুনার মধ্যে তিনটিতে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে চার ধরনের, ছয়টিতে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে তিন ধরনের এবং একটিতে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে দুই ধরনের।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক ফারুক বলেছেন, ‘আমরা জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এমন পরীক্ষা চালিয়ে যাব এবং তা প্রকাশের চেষ্টা করব। ’

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ