আজ মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০১৯ ইং, ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দুর্দিনের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে নগর যুবলীগ কমিটির দাবি: শফিকুর রহমান পলাশ

তথ্য প্রতিবেদকঃ খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সফিকুর রহমান পলাশ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনপ্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনা করবেন। আর আমরা যারা মাঠের কর্মী; তারা জনকল্যাণে জনবান্ধব রাজনীতি করবো। সৎভাবে রাজনীতি করলেই
সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগনই আ’লীগকে ক্ষমতায় বার বার আনবে। সে জন্যে মাঠপর্যায়ের সকল নেতাকর্মীকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। আমি দুর্দিনের কর্মী; ত্যাগীদের পক্ষে। দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরাই পারেন বঙ্গবন্ধুর আর্দশ বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব ধরে রাখতে।
সে জন্যই দায়িত্ব পেলে যেকোন মূল্যে খুলনা মহানগর যুবলীগকে জনগনের আস্থার স্থলে পরিণত করবো ইনশাআল্লাহ্ধসঢ়;। একান্ত সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত কথাগুলো বললেন নগর শাখার সভাপতি পদ প্রত্যাশী মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম এই সদস্য। আত্মসমালোচনা করে তিনি বলেন, সার্বক্ষণিক আমাদের মনে রাখতে হবে দলীয় নেতাকর্মীরা এলাকায় বদনামের কুকর্ম করলে জনগনের কাঠগড়ায় জবাবদিহি করতে হয় জননেত্রী শেখ হাসিনাকেই। সে জন্যে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে দুঃসময়ে পরীক্ষিত ত্যাগী ক্লিন ইমেজের সৃষ্টিশীল যুবনেতাদের দায়িত্ব দেয়া উচিত। নিশ্চয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি,
সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, সেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি ও বিসিবি পরিচালক শেখ সোহেলসহ দায়িত্বশীল নেতারা এসব বিষয়ে ভাবছেন। আমাকে দায়িত্ব দেয়া হলে-আমি প্রথমেই দুঃসময়ের ত্যাগীদের সমন্বয়ে সংগঠনটাকে ঢেলে সাজাবো; শেখ হাসিনার যোগ্য হাতিয়ার হিসেবে। এক বর্ণনায় যুবলীগ নেতা পলাশ বলেন, ২০০৭ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার করলে আমরা খুলনা শহরের ডাকবাংলা মোড় থেকে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে দুঃসাহসিক মিছিল করেছিলাম। পরদিন সরকারের একটি সংস্থার কার্যালয়ে আ’লীগের শীর্ষ নেতাদের ডাকা হয়নি; সেদিন আমি ও ফারুক হাসান হিটলু সেই ডাকে সাড়া দেইনি। সে জন্য অনেক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছি। সেদিন দেখেছি- দলের পদ-পদবীধারী অনেক নেতাই মুচলেকা দিয়ে আসেন আর সহিংস কর্মসুচি না করতে।
কিন্তু আমি দেইনি- রাজনীতির শুরুতে নেত্রীর প্রতি শতভাগ আস্থা নিয়ে সংগ্রাম করছি। আমি ১৯৮৭- ৮৮ সালে রূপসার বেলফুলিয়া স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। পরে আইসগাতী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ১৯৮৯-৯০ সালে। এরপর সিটি কলেজ ছাত্রসংসদের নির্বাচিত শ্রেণি প্রতিনিধি, ১৯৯২-৯৩ সালে ছাত্র ও মিলনায়তন সম্পাদক ও ১৯৯৩ থেকে ৯৫সাল পর্যন্ত নির্বাচিত হই। আবার, ১৯৯৩ থেকে ৯৪ সালে রূপসা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি। ১৯৯৪-৯৫ সালে মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে ২০০৯ সাল পর্যন্ত খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্বপালন করেছি। তারপর ২০০৯ সালে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হই।
এভাবে দুর্দিনেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মূল সহযোগি সংগঠনগুলোতে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বপালন করেছি। সামনে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিশ্চয় এসব অভিজ্ঞতাগুলো কাজে আসবে।
প্রসঙ্গত্ব, মহানগর যুবলীগে সরদার আনিছুর রহমান পপলুকে ও এসএম মনিরুজ্জামান সাগর ও মোঃ হাফেজ শামীকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল ২০০৮ সালের ৬ জানুয়ারি। তিনমাসের মধ্যে সম্মেলন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার কথা থাকলেও প্রায় একযুগেও তা হয়নি।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ