আজ মঙ্গলবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

তালার কানাইদিয়ায় ঘুমন্ত যুবকের উপর এসিড নিক্ষেপ

সেলিম হায়দার : সাতক্ষীরা তালায় বন্ধ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় আল আমিন গাজী (৩২) নামে এক যুবককে কে বা কারা এসিড নিক্ষেপ করেছে।

আজ রবিবার দিবাগত রাত আনু: ১ টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে তালা উপজেলার জালালপুরের কানাইদিয়া গ্রামে। এসময় আলামিন তার স্ত্রী আশা ওরফে হাফসা বেগমের সাথে ঘুমিয়ে ছিলেন।

রাতেই পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতক্ষীরা ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে,ঘরের ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ও কোথাও ফাঁকা না থাকায় বিষয়টি গভীর রহস্যজনক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানায়,উপজেলার কানাইদিয়া গ্রামের সাত্তার গাজীর ছেলে আলামিন গাজী পেশায় একজন রং মিস্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ দিন যাবৎ ঢাকায় অবস্থান করছিল। অন্যদিকে তার স্ত্রী আশা ওরফে হাফসা বেগম প্রায় ৩ বছর যাবৎ সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে প্রবাসী ছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরের দিকে আয়েশা দেশে ফিরে স্বামীর সাথে একমাত্র ছেলে মুজাহিদ (৮)সহ ঢাকাতেই অবস্থান করছিলেন। সর্বশেষ ঈদ করতে বুধবার তারা ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কানাইদিয়ায় আসেন। এবং রবিবার দিবাগত রাতে এসিড সন্ত্রাসের শিকার হন।

এদিকে বন্ধ ঘরের মধ্যে স্বস্ত্রীক একই বিছানায় ঘুমিয়ে থাকলেও শুধুমাত্র স্বামীর এসিড দগ্ধ হওয়ার বিষয়টি রীতিমত প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এলাকাবাসীর পাশাপাশি খোদ পরিবারকেও। পারিবারিক সূত্র জানায়,আলামিন তার মুখ ও বুকে মারাতœকভাবে এসিডদগ্ধ হন। ঘটনার পর থেকে তার স্ত্রী আশা স্বামীর সাথেই রয়েছেন।

এব্যাপারে খবর পেয়ে তালা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ধারণা করা হচ্ছে,আলামিনের এসিড নিক্ষেপের পেছনে স্ত্রী আশা কোন না কোনভাবে হাত থাকতে পারে। তানাহলে বন্ধ ঘরের কোথাও কোন ফাঁকা না থাকলেও কিভাবে এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটল? আর একই বিছানায় দু’জন ঘুমিয়ে থাকলেও কেন আলামিন একা দগ্ধ হলেন? ঘটনার পর থেকে এমন নানা প্রশ্ন এলাকাবাসীর পাশাপাশি খোদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বার বার ঘুর পাক খাচ্ছে।

সর্বশেষ এব্যাপারে কোথাও কোন মামলা হয়েছে কিনা তা জানা জায়নি।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ