২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,সন্ধ্যা ৬:৫৬

শিরোনাম
খুলনা মহানগরীর ২৮নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলদেশ এর আয়োজনে লার্নিং রুটস/শিখন শিকড় কেন্দ্রের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে “হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও কুলিনারি আর্টস” এর উপর কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং সহযোগি সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা খুলনায় কারিগরি শিক্ষায় বেকার ও প্রতিবন্ধী যুবদের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সচেতনতা সভা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনার লবণচরায় পিওর আর্থ এর সীসা দূষণ সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগরীতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র “ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সংলাপ” মোংলা বন্দরের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন খুলনায় ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত ব্যাংকিং সেক্টরে এস আলমের একচ্ছত্র নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

খুলনায় গোবিন্দ হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩, ২০২০

  • শেয়ার করুন

খুলনায় শ্রী এগ্রো লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী গোবিন্দ সানা (৪০) হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে খুলনার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যালের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বিবেক মন্ডল, সৌগত রায় ও অরুণাভ রায়। তারা তিনজনই পলাতক রয়েছেন।

আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. ছায়েদুল হক শাহিন জানান, ৩০২/২০১/৩৪ ধারার অপরাধের বিচার শেষে বিচারক ৩০২/৩৪ ধারার অপরাধে আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু কার্যকর করার আদেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর রাত সাড়ে আটটা থেকে ২১ নভেম্বর বেলা দুইটার মধ্যে যেকোনো সময় প্রাইভেট কোম্পানির কর্মী গৌতম গোবিন্দকে হত্যা করা হয়। এরপর তার লাশের গলায় ও কোমরে ইট বেঁধে ঢাকি নদীতে ফেলে দেয়া হয়। এরপর ২২ নভেম্বর সকালে ঢাকি নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় গোবিন্দর লাশ উদ্ধার হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই কৃষ্ণপদ সানা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক কাজী মোস্তাক আহমেদ ২০১৬ সালের ১৯ জুন আদালতে তিনজনের নামে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৮ সালের ৫ জুলাই আদালতে এই মামলার শুনানির মধ্য দিয়ে চার্জ গঠন ও বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত এই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সব শেষে বৃহস্পতিবার বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আরিফ মাহমুদ লিটন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন