আজ বুধবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ৮ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘খালেদা জিয়া পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সম্মান পেলেও দেশে পাচ্ছেন না’

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কাছে সম্মান পেয়েছিলেন, কিন্তু নিজ দেশে তা পাচ্ছেন না। যারা নিজেদের জাতির পিতার সন্তান দাবি করছেন, তাদের কাছে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সম্মান নেই।
শুক্রবার (২ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এলডিপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
পাক সেনারা খালেদা জিয়াকে কেন এত সম্মান দিয়েছিল— এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন বলে উল্লেখ করে অলি আহমেদ বলেন, পাকিস্তানি সেনারা বেগম জিয়াকে সম্মান দেওয়ার কারণ হলো কর্নেল নিয়াজি। জিয়াউর রহমানের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন নিয়াজি। প্রথম অধিনায়ক বাবার মতো, সেই ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সন্তানের মতো। অফিসারদের স্ত্রীরা ছিলেন তার মেয়ের মতো।

অলি আহমেদ বলেন, এই সরকারকে নির্বাচিত করেছে দুই লাখ পুলিশ। এতে জনগণের সম্পৃক্ততা ছিল না। এ কারণে সংসদ সদস্যরা টেলিফোন করলে এসব পুলিশ কর্মচারী ধরেন না। তারা বলেন সংসদ সদস্যদের টেলিফোন ধরব কেন? তারা তো ভোটে নির্বাচিত হননি, আমাদের বানানো সংসদ সদস্য। এ কারণে এখন রাজনীতিবিদের সম্মান নেই।

সেনাবাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধ শুরু না করলে কেউ মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারতেন না দাবি করে এলডিপি সভাপতি বলেন, ‘লাঠিসোঁটা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয় না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ভাষণ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয় না। লালদিঘির মাঠে বক্তব্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয় না। মুক্তিযুদ্ধের জন্য সশস্ত্র বিপ্লব লাগে। এই বিপ্লব আমরা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে অষ্টম রেজিমেন্ট শুরু করেছিলাম। সেই সম্মানটুকুই খালেদ জিয়াকে দেখানো উচিত। কারণ তিনিও একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অনুরোধ করব, খালেদা জিয়ার বয়স, অবদান ও জিয়াউর রহমানের অবদান বিবেচনা করে তাকে অবিলম্বে চিকিৎসা জন্য মুক্তি দেবেন।

জনগণের বসে থাকার সময় নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড আমরা সমর্থন করি না। আপনারা ছোট ছোট মিছিল-মিটিং করুন। খালেদার মুক্তি ও পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হোন।

বিদেশ থেকে ডেঙ্গুর ওষুধ আনার পক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করে অলি বলেন, আমি মন্ত্রী থাকলে ১০ ঘণ্টার মধ্যে ওষুধ নিয়ে আসতাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ২০ দলীয় জোটের কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় দলের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ