আজ শনিবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আদালতে তোলার আগে সারা রাত দাঁড় করিয়ে রাখা হয় মিন্নিকে

আদালতে তোলার আগের রাতে মিন্নিকে ঘুমাতে দেওয়া হয়নি। সারা রাত দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। এমন কি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতেও (প্রসাব করতে) দেওয়া হয়নি বলে গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেছেন মোজাম্মেল হক কিশোর।

মিন্নিকে উন্নত চিকিৎসার ঢাকা অথবা বরিশালে নিয়ে যাবেন জানিয়ে তার বাবা সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, বাসা থেকে যখন সাক্ষী হিসেবে মিন্নিকে প্রথমে পুলিশ লাইনে আসামি শনাক্তকরণের কথা বলে নেওয়া হয় সেই থেকেই তার উপরে চলে নির্যাতন।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর বলেন, ‘মিন্নি পুলিশের হেফাজতে থাকার সময় তার হাঁটুতে আঘাত করা হয়েছে। সে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। যার কারণে তাকে কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বাসায় আনা হয়েছে।’

কুচক্রী মহলের কারা জানতে চাইলে মিন্নির বাবা বলেন, ‘যারা বরগুনায় নয়ন বন্ড তৈরি করেছে, ইয়াবা মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে, যে প্রভাবশালী মহলের নাম ইতিপূর্বে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তারাই আমার মেয়েকে সাক্ষী থেকে আসামির কাঠগড়ায় এনেছে। এমন কি মিন্নিকে ঢাকা থেকে যেন জামিন করাতে না পারি সেজন্য সেই কুচক্রী মহল তখন ঢাকায় অবস্থান করছিল।’

মোজ্জাম্মেল হক কিশোর বলেন, ‘একদিকে স্বামী হারানোর শোক, অপরদিকে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা। সব মিলিয়ে ভালো নেই মিন্নি।’ মিন্নি বাসায় এসে চুপচাপ হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো ধরনের কথা না বলার শর্তে বাবা মোজাম্মেল হক কিশোরের জিম্মায় মুক্তি পেয়েছেন বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। তবে কারামুক্তির পর গণমাধ্যমে কোনো বক্তব্য না দিলেও মিন্নি তার উপর অমানুষিক নির্যাতনের কথা বাবাকে জানিয়েছেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

     এই বিষয়ের আরো সংবাদ